করোনা মহামারী প্রতিরোধে দেশে শিক্ষার্থীদের টিকাদানের আওতায় আনা হয় গত ১ নভেম্বর। এই কার্যক্রমে এখনো পিছিয়ে রয়েছে ৩৪ জেলা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশে টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে ৬৯ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী। তবে ৩৪ জেলায় এই হার অনেক কম। ৪০ শতাংশের কম টিকা পেয়েছে দুটি জেলার শিক্ষার্থীরা। ৪০ থেকে ৬০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে ১৫টি জেলা ও ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে ৩৮টি জেলায়। আর ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে ৯ জেলায়।
রাজধানী ঢাকা তো বটেই, জেলা শহরগুলোতেও টিকা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়েছে। সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে আসা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা না পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে অনেক জায়গাতেই।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন- যেসব শিক্ষার্থী করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছে, তারাই কেবল শ্রেণিকক্ষে যেতে পারবে। বাকিদের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া পর্যন্ত অনলাইন ও টেলিভিশনে পাঠদান হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলতে আরও এক সপ্তাহের বেশি অপেক্ষা করতে হবে। এ অবস্থায় মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিকা নেওয়ার জন্য ভিড় বেড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।
যেসব জেলা এখনো টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সরকারের উচিত অবিলম্বে সেখানে টিকার মজুদ এবং শিক্ষার্থীদের দুই ডোজ টিকা সম্পূর্ণ করা। টিকার অভাবে এক শিক্ষার্থীও যেন শ্রেণিকক্ষের বাইরে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকেই।
